Sunday, June 12, 2011

উড়ন্ত প্রজাপতি

কোথা থেকে ভেসে আসে একটা কাল মেঘ। চাঁদের মুখে মেলে ধরে তার হালকা ওড়না। পৃথিবীর বুকে ছড়িয়ে পড়েতার ছায়া। মাঠে-ঘাটে এক আবছা আঁধার । শিশিরের টুপ্টাপ থেমে যায়। শুকনো পাতায় কাদের পায়ের শব্দ। মাঠের কচিঘাসের বনে চরতে আসা ছোট্ট খরগোসটা বাতাসে কিসের যেন গন্ধ পায়। মুখ তুলে তাকায় এদিক ওদিক। আসেপাসে বড়দের দেখতে পায় না। কোথায় গেল ওরা। ভয় পেয়ে গুটি গুটি হিড়কোলের পুটুসের ঝোপে গা ঢাকা দেয়। নিশাচরের দল কোটরে লুকিয়ে পড়ে। একটা থমথমে পরিবেশ।চাঁদ এক সময় কালো মেঘের আড়ালে হারিয়ে যায়। ভোর হতে দেরি নেই। তবুও বনের কোণায় কোণায় একটা ভয় ভয় অন্ধকার। প্রজাপতিও নিজেকে পাতার আড়ালে লুকিয়ে ফেলে। চুপটি করে বোঝার চেষ্টা করে কি হল মুহুর্তের মধ্যে....

Saturday, June 11, 2011

উড়ন্ত প্রজাপতি

উড়ে চলে হলুদ প্রজাপতি। পিছনে পড়ে থাকে তার চেনা পৃথিবী। দিগন্তের সীমানা পেরিয়ে সে ছুঁতে চায় আরেক অজানা আকাশ।সেখানে শুধু অনাবিল নীল। বিকালের রোদরঙে মেঘের পালকে এঁকে চলে কেউ কত মনোরম চিত্র।প্রজাপতি মন ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায় অপরূপ সেই দৃশ্য। নিঝুম সন্ধ্যায় জোনাকির ডাকে এসে বসে গাছের পাতায়।ঝিঁঝিটের গানে চোখে নামে ঘুম।দূরের আকাশে জেগে-থাকা চাঁদ হিমাকণা মেখে লুটোপুটি। তার হাসির জোয়ারে ভাসে মাঠ-ঘাট-প্রান্তর, নদী-নালা-বিল। মাতাল বাতাস ফোটায় চেনা অচেনা ফুলকলিদের। রাতজাগা পাখিরা ডেকে ডেকে ওঠে। শিরশিরানি জাগে নবীন ধানের সবুজ ক্ষেতে।বকুল ঝরে শিউলি ফোটার আশায়....